Monday, November 6, 2017

লেখক সূচী


  1. একটি কবিতা - অমর নস্কর
  2. যুদ্ধ এবং - শর্মিষ্ঠা ঘোষ 
  3. অনেকটা এগিয়ে - জ্যোতির্ময় রায় 
  4. স্নেহ - সুমন পাটারী
  5. শর্ত - সঙ্গীতা রায় 
  6. হঠাৎই... - অরিন্দম ভাদুড়ী
  7. এসো,  কিন্নরসেনা - তনিমা হাজরা
  8. পুতুল খেলা - নিশীথভাস্কর পাল 
  9. অক্ষর লিপি - দেবাশিস মুখোপাধ্যায়
  10. মৃত্যুশয্যা - দেবাশিস্ বন্দ্যোপাধ্যায়
  11. নিরালায় - মহাদেবাশা 
  12. অবসেশন - সোনালি মণ্ডল আইচ
  13. দারুচিনি জ্বর - রুমা ঢ্যাং অধিকারী
  14. আমাদের আড্ডা - অর্ণব গড়াই
  15. একটি কবিতা - রাহুল গাঙ্গুলি
  16. একটি কবিতা - তুলি রায়
  17. বৃষ্টি লিরিক - সৌমাল্য
  18. আত্মদহন - কুমারেশ তেওয়ারী
  19. অজান্তে - সুখবিন্দর সরকার
  20. জঞ্জাল - মানসী বিশ্বাস
  21. মহানগরী  -  জ‍্যোতির্ময় মুখার্জি
  22. জীবন যৌগ - কাকলি মুখোপাধ্যায় 
  23. কবিতার সত্য - দিব্যায়ন সরকার 
  24. সেইসব মেয়েদের - বিশ্বজিৎ দাস
  25. হাওয়ার শব্দ - শ্যামল সরকার
  26. আলোছায়া  - অর্পণ মাজি
  27. বাঁশের শরীরে অস্ত্র - কবি দীপকচন্দ্র বর্মন
  28. হাওয়া -মোরগ - আফজল আলি
  29. একটি কবিতা - শাল্যদানী
  30. পথ - মহুয়া

সম্পাদকীয় - সঙ্গীতা পাল




আমি সঙ্গীতা পাল এডিটর অফ মেঘ বৃষ্টি রোদ্দুর।আমাদের প্রথম যাত্রা শুরু হয় 2012 তে।প্রিনটেড পত্রিকা হিসেবে।এখন সময়ের দাবি রেখে শুরু হয়েছে ব্লগ ম্যাগাজিন যেখানে আমরা প্রত্যেক মাসে তিরিশ জনের লেখা whatsup group থেকে নিয়ে, প্রকাশিত করবো এই আমাদের সামান্য কথা। আমাদের উপদেষ্টা হিসেবে আমরা পেয়েছি রুপম রায় চৌধুরী, রাহুল গাঙ্গুলি, অপ'ণমাঝি, দেবব্রত, জোতির্ময় মুখার্জী, জোতির্ময় রায়, ঐন্দ্রিলা মোহান্তি, শৌভিক ঘোষ, সৌমাল্য, কাকলি মুখার্জি, স্বর্ভানুকে। এনাদের সাহায্য ছাড়া এই ব্লগ শুরু করতে আমরা পারতাম না। তাই এনাদের সকলেই মেঘ বৃষ্টি রোদ্দুর এর পক্ষ থেকে বিশেষ ধন্যবাদ, এবং কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি।


বাঁশের শরীরে অস্ত্র - দীপকচন্দ্র বর্মন



ট্রিগারে রেখেছ তর্জনী
এক--দুই --তিন--
জীবন্তে রেখেছ মৃত করে, মৃত্যুর পরে লাশ।

দুর্গতিনাশিনী পক্ষ, পবিত্র মহরম
একশো আটটি নীলপদ্মের উপাচারে রেখেছ রক্তবাটিকের ছাপ।

তবুও তোমারই পূজা এখানে বারমাস!

ট্রিগারে তর্জনী গর্জন আরও কতটা ভয়ঙ্কর হবে--

বাঁশের শরীর থেকে তুলে আনা অস্ত্র যদি দুহাতে ধরো,
এদের নলি-কাটা পীত রক্তে হাজারো মাছি চাক হয়ে বসে ড্যান ড্যান করবে।

একদিন ওরই এক ফোচে কত পশুর বীর্য বিনাশ ঘটেছে,
যৌবন-উত্তর বয়সের কাছে কান পাতলে এখনো শোনা যায়
সদ্যজাতকের নাড়ি-সম্পর্ক-ছেদন-ভিড়ু কান্না।

ট্রিগারে রেখেছ তর্জনী-- আর না আর না আর না
বাঁশের শরীর থেকে তুলে আনো অস্ত্র।
রক্তবাটিকের ছাপ আর না আর না
বাঁশের শরীর থেকে তুলে আনা অস্ত্রে
আবার লেখা হবে পশুদের কান্না পশুদের কান্না।

বাঁশের শরীরে রক্ত...

পথ - মহুয়া



পথিক ছেড়ে গেছে তাই একা দাঁড়িয়ে
শেষ বসন্তের হিসেব খাতা 'মাইলস্টোন'
ক্লান্ত হাসি...অজস্র ক্ষত...দগদগে ঘা

বেলা বাড়ে সূর্য গলে
স্বপ্ন কুড়িয়ে ঝোলা ভরে
অন্ধ মখমলী পথ

হাওয়া -মোরগ - আফজল আলি



সকাল থেকেই তোমরা ভাবছিলে আমি অন্ধকার নিয়ে কিছু বলি
           তখন সূর্য উঠছিল
           সরলরেখার উপরে মন
আস্তে আস্তে টুকরো হয়ে যাওয়া  নিঃশেষ গুলো এখন দক্ষিণদিকে
তোমাদের ভালোবাসার  জন্য অনেক মেঘ আমি শেয়ার  করলাম

মাথায় সেই সীমিত অক্ষরগুলো যা এতকাল আমাকে ভাবনা শেখাতো
         এখন বেদখল হয়েছে
কান্নাকে একটু টুইস্ট করে দেখলাম
সমস্ত দুঃখই আসলে হাওয়া-মোরগ

সমাধানের বাইরে আর নতুন করে কী বলব
যত ইচ্ছা গুন করে যাও আমায আমায়
মরমের পাশ দিয়ে হেঁটে  হেঁটে  চলে যাব
তখন আয়নাতে যেন মনখারাপ দেখো না

আলোছায়া - অর্পণ মাজি



মুছে গেছে পাশাপশি হেঁটে চলা পায়ের দাগ ,
মুছে গেছে শক্ত করে ধরে রাখা হাতমুঠো ঘাম,
লুকোনো ডায়রির ভাঁজ করা পাতায় মুছে গেছে স্মৃতি,
আবছায়া তোর নাম।

তবু আজও আধঘুম চোখে
ভোরের আকাশ দেখি তোর সাথে,
উদাসী বিকেলে তোর হাত ধরে হাঁটি ,
বৃষ্টি ভিজি,যেমন ভিজতাম তখন,
তুই আছিস কি নেই ?
এ ঘোর জানিনা,জানিনা কাটবে কখন....

চোখ দুটো ছলছল করে উঠলো ছায়ার।কলিং বেলটা বেজে উঠলো এমন সময়।কবিতাপাঠে বাধা পড়ল।বিকেল সাড়ে চারটে।ছায়া আর সূর্য্যের দশ বছরের মেয়ে রিমি স্কুল থেকে ফেরে এসময়।
-জানো মা আজ স্কুলে কী হয়েছে?
-আগে ড্রেস চেঞ্জ করে ফ্রেশ হয়ে নে তারপর শুনবো তোর গল্প।
মেয়ের জন্য খাবারটা সাজিয়ে এনে ডাইনিং টেবিলে রাখল ছায়া।
-কইরে আয়।আজও টিফিন শেষ করিসনি!
-নতুন মিস্ আমাকে একটা জিনিস দিয়েছেন মা।দেখবে ?
-খেতে খেতে কথা বলেনা রি,আগে খেয়ে নে।আজ তো তোর নাচের ক্লাস আছে আবার।
            ***
-কী আজ এতো দেরি হলো তোমার?
-সারপ্রাইজ আছে।
-ও হ্যাঁ,রি তুইও যেন কী দেখাবি বলছিলি?
-আগে বাবার সারপ্রাইজ টা শুনি।
-বাবাকে হাতমুখ ধুয়ে নিতে  দে।তুই কী দেখাবি বলছিলি দেখা।
-দাঁড়াও ব্যাগটা আনি তাহলে।
ছায়া বিকেলের অসমাপ্ত কবিতাটা নিয়ে বসলো-

আজও সন্ধ্যে নামে এ শহরে,
দাঁড়িয়ে থাকি আমি রোজ,
তোর আসার সময় যায় বয়ে,
বারে বারে দেখি ঘড়ি, এখানেই একদিন এরকম সন্ধ্যেয় হয়েছিল
আমাদের প্রেমের হাতেখড়ি..."

-এই দেখো এই চাবির লকেটটা মিস্ আমাকে দিয়েছেন ভালো আবৃত্তি করার জন্য।মিস্ সই করেও দিয়েছেন দেখো।রিমি লকেট টায় সুন্দর ভাবে লেখা একটা নাম মাকে দেখালো।
-বাবা দেখো কী সুন্দর না লকেটটা !
সূর্য্য লকেটটা হাতে নিয়ে অবাক হয়ে জিগ্গেস করলো
-কোথায় পেলি এটা?
-নতুন মিস্ দিয়েছেন।আবৃত্তি শুনে খুশি হয়ে মিস্ আমায় এটা উপহার দিয়েছেন।ভালো না?
-যাও রি সোনা পড়ার ঘরে যাও।হোমওয়ার্ক গুলো করে নাও।বাবাকে জ্বালাতন করেনা।
             ***
ছায়া জোরে জোরে পড়তে শুরু করলো সেই অসমাপ্ত কবিতাটা -
"ধীরে ধীরে শুনশান হয় ব্যস্ত সড়ক,
ঘুমিয়ে জাগে স্ট্রীটলাইট ,
দু একটা কুকুর চেঁচায় নিয়ম করে,
হয়ত ফিরে যেতে বলে,
মিছে অপেক্ষা,আসবেনা সে আর,
একলা ছাদে জ্বলে স্মৃতির সিগারেট,
রোজ মরে ফের বাঁচে একটা জীর্ন লাশ,
যে হাতে ছিলো একদিন তোর হাত ধরা,
সে হাতে আজ ক্লান্ত কলম,
সব লিখে রাখার পুরনো বদভ্যাস।"

-আবার আমার ডায়রিটা হাত দিয়েছো!কতবার বলেছি...
-তোমার আলোই তাহলে রিমির স্কুলের নতুন মিস্ হয়ে এসেছে?
-এতোটা সিওর হচ্ছো কি করে ?
-লকেটে লেখা নামটা আর তোমার গিটারের মার্কার দিয়ে লেখা নামের স্টাইলটা একই সূর্য্য।আমি জানি তুমিও বুঝতে পারছো কিন্তু না বোঝার ভান করছো।
-হলোই বা আলো।কিন্তু ও আর আমার জীবনে নেই।শুধু কবিতায় আছে।কতোবার বলেছি আমার জীবনে এখন শুধু তুমি আর রি।
-দু নৌকায় পা দিয়ে চলা যায়না সূর্য্য।তুমি বলেছিলে তুমি ওকে পুরোপুরি ভুলে যাবে।
সূর্য্য কী উত্তর দেবে ভেবে পেলো না।হয়তো রবি ঠাকুরের "শেষের কবিতা" উপন্যাসের অমিতের মতো সূর্য্যও বলতে চায়-
তোমার  সঙ্গে আমার সম্বন্ধ ভালোবাসারই,কিন্তু সে যেন ঘড়ায় তোলা জল প্রতিদিন তুলব, প্রতিদিন ব্যবহার করব। আর আলোর সঙ্গে আমার ভালোবাসা সে হল  দিঘি। সে ঘরে আনবার নয়, আমার মন তাতে সাঁতার দেবে।
কিন্তু একটা কথাও বলতে পারলো না সূর্য্য।ছায়া মুখভার করে বসে রইলো বিছানার এক কোণে। পকেটের ভেতর থেকে হলিডে ট্যুরের সারপ্রাইজ টিকিটগুলো ছায়ার পাশে রেখে সিগারেটের প্যাকেটটা নিয়ে সূর্য্য ডায়ারি টা নিয়ে তার লেখার রুমে চলে গেলো।
"সূর্য থাকলে আলো থাকবেই ,
আলো থাকলে ছায়া,
আলোছায়াময় এ জীবন,
মেঘেদের আসা যাওয়া।
আজকের আজ আগামীতে গত,
যা কিছু গত বুকে সঞ্চিত,
পাল্টায় জন,পাল্টায় মন,
পাল্টায় কাছের মানুষজন,
অনুভূতিরা বুঝি একই থাকে?
রিয়েলাইজেশন!রিয়েলাইজেশন !"
               -সমাপ্ত-

হাওয়ার শব্দ - শ্যামল সরকার



হঠাৎ-ই  মোবাইল নম্বরটা পেয়ে গেলাম ৷ যেন মেঘ না চাইতেই জল ৷ দেবার সময় মৃন্ময় বলছিল ----- 'আমি দু'একবার কল করতে চেষ্টা করেছিলাম ৷ পাই নি ৷ তুই দেখতে পারিস চেষ্টা করে ৷' তার পরই মুখে একঝিলিক হাসি খেলিয়ে ঠেস দিয়ে বলেছে ---- 'তোর কল্ নিশ্চয়ই রিফিউজ করবে না দেবিকা ৷' আমার মুখে হাসি এসেছিল ছেলেবেলার বন্ধুটির রসালো খোঁচায় ৷ সেটি দিয়েই বন্ধুবিদায় সারলাম তখনের মতো ৷

  টেলিফোন রিসিভ করল কেউ একজন ৷ কথা নেই ৷ হাওয়ার শব্দ শোনা যাচ্ছে শন্-শন্ ৷ আমি চিৎকার করছি ------'হ্যালো-ও-ও-ও ৷ অামি নীলাদ্রি বলছি ৷ নীলাদ্রি বসু ৷ নীলু ৷ সেই কাঞ্চনপুর ৷' ওপাশের সাড়া না পেয়ে লাইন কেটে আবার রিং করলাম ৷ রিং বেজে গেল ৷ অাবার ৷ অামি মরিয়া ৷ এতদিন পর দেবিকার খোঁজ পেয়েছি ----- প্রায় চল্লিশ বছর ৷ কথা হবে না মানে ! হাজারো জিজ্ঞাসার যে জমায়েত আমার মনময়দানে ৷

     টেলিফোন ধরল এবার অাবার ৷ বলল অপরপক্ষ -----'ম্যাডাম ইজ সিক্ ৷ শি কান্ট স্পিক অ্যাট অল ৷ অ্যাকিওট ম্যালিগ্ন্যান্সি ইন ল্যারিংস ৷' ভদ্রলোক থামল ৷ তারপর ফিস্‌ফিসিয়ে বলল ---- 'সি ইজ ক্রাইং স্যার ---- ৷' থতমত খেয়ে জিজ্ঞেস করলাম ---- 'কোথায় অাছে দেবিকা এখন ? অাপলোগ কাঁহা হ্যায় ? উনহে দিজিয়ে না প্লিজ ৷' কোন কথা নেই অার ৷ টেলিফোনে অাবার হাওয়ার শব্দ ভেসে অাসতে শুরু করেছে ৷ বেশ জোর শন শন শব্দ এবার ৷ যেন ঝড় বইছে ওপাড়ে ৷ সাথে কি বৃষ্টিঝরার শব্দ ----- বুঝতে পারছি না কিছু ৷

  বহুকাল পর কান্না পেল অামার ৷ হাপুস হুপুস কান্নার ঝড় বইছে অামার ভেতর ৷  স্বয়ংক্রিয় ৷ চঞ্চল ৷ কাঁদতে কাঁদতেই বললাম ---- 'এ ঝড় অার থামতে দিও না কোনদিন দেবিকা ৷'

সেইসব মেয়েদের - বিশ্বজিৎ দাস




হারানো মেঘের পালকের কোনো ঘুম নেই
স্বপ্নে তাদের বালিকা সাজতে দেখে লোভ হয় আমার
ভেরুণিকা নামের মেয়েটি আমাকে স্পর্শ দিয়েছিল
প্রথম হৃদয় ভেঙে ফেলার দিনের আরম্ভ...

নীতু, তোমাকে আর কতবার বলব
ভূমিকম্পে ধসে গেছে মহানগরীর দারিদ্র্য
কাঁচাপাকা চুলে বিদেশি পোডাক্ট লাগিয়ে ঘুরছে
কাশ্মীরী ঘাসের আসন! রমা তুমিও দেখছি
পালিত কন্যার চোখে ঘেন্না রেখে চলে গেছো দূরে...

বিলকিস,  ঘুমিও না এখন
ফুটপাথে থালার ঝংকারে গোটা পৃথিবী খুন
তোমার জন্য এশিয়ার কোণে একদিন উঠবে মুন...

পারমিতা, জেগে থেকে আয়ুর ক্ষয় করো না আর...

কবিতার সত্য - দিব্যায়ন সরকার



কবিতা। পড়ে দেখার অনুরোধ।
ইচ্ছেরা ডানা মেলেছে। স্যালাইন ওয়াটার।  নিষেক।

ফুলের রেণু চালনা = হরমোন চলাচল।

ভাবুক।  চশমা।  বুলি কপচাও। তারাদের আলোর %কমছে।  কৃষ্ণ গহ্বর।
ছন্দপতন। বেকারত্বের জ্বালা।  কবিতার নোংরা। ছাই।

জীবন যৌগ - কাকলি মুখোপাধ্যায়



আধপেয়ালা চা,
পোড়া সিগারেট,
কালজয়ী উপন্যাসের সূক্ষ সমীকরণ,
আমার আমিকে টেনে নিয়ে যায় বোধের গভীরে।
       আত্মবিশ্লেষণের আঁতুড়ঘরে,
          সদ্যোজাত নয়,সদ্যমৃতের সারি।
        মান- হুঁশ হীন জীবন,
   সালোকসংশ্লেষের অভাবে, মৃতপ্রায়, নির্জীব।
বিষদংশনে রক্তাক্ত  মননশীলতা
    স্হবির, বাকরুদ্ধ।
নবোদয়ের আকাংখায় খুঁজে ফেরা মাতৃজঠর,
অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে সামিল,
প্রতিনিয়ত বেড়ে চলে, প্রত্যাখ্যাতের সংখ্যা।

মহানগরী - জ‍্যোতির্ময় মুখার্জি



ঢেকে আছে ফুটপাথ

ভিখারির সারি

ভিজে গেলে

হকারের ঘামে

পিচ্ছিল রাজপথে তোমার আসাযাওয়া

মহানগরী তুমি ভালো থেকো আনমনে

জঞ্জাল - মানসী বিশ্বাস



নিরর্থক কেটে গেল কত অষ্টমীর রাত/
তোর সাথে শেষ কবে দিয়েছিলাম অঞ্জলি, রেখে হাতে হাত/
পুরোনো স্মৃতির ভীড়ে দেখ দাঁড়িয়ে আছি আজও কেমন একা/
তোকেই সবখানে খুঁজে ফিরি, দিসনি কোনো নিশ্চিত ঠিকানা/
তবুও আশায় কাটাই দিন, জানি বলবি , আমি চিরকাল হয়েই রইলাম একদম বোকা/
শেষমেশ অবসন্ন মনটাকে একদিন ছুঁড়ে ফেলবো আস্তাকুঁড়ে,
পরে থাকবে দলা পাকানো সব বাসনা/
পচা শরীর আর এঁটো মন নিয়ে উৎসব করবে কুকুরেরা/
অপচয়ের সমাজে জঞ্জাল সরানোর মহান কাজ করবে ওরা

অজান্তে - সুখবিন্দর সরকার

বিভেদ মতবাদ
অন্যরকম খেল
মিছে আবদার অজানা
অবকাশ

ঘামের জোরে
ভাতের লড়াই
সেতো রাম আর রহিমের রক্তে
বরাবর হিসেব মেলে

হৃদয় চেনে ফুলের খুশবু

রাজভোগের স্বাদ
পূজার প্রসাদ বা
মুশলিম উপহার...

আত্মদহন - কুমারেশ তেওয়ারী



আত্মদহনের কাছে বসিয়ে রাখছি নাচঘর
কিছুটা আলোক পেতে পরি
পাথরের আঙটি পরি খড়িফাটা আঙুলে আঙুলে
নামতার পাঠ পড়ি জলবৎতরলং গুলে

জলের স্পর্শের কাছে পাথরও তো
খুলে দেয় তার দিল, অন্তরমহল
আমারই ভেতরে শুধু দেখো
ডানামুড়ে পড়ে থাকে সব রুদ্ধদল

সরষের খেত থেকে ভেসে আসে
পরাগের ধ্বনি
নীল তরবারি এক অদৃশ্য নিয়মে
ঝুলে থাকে জানালার তারে
খচাখচ কেটে দেয় রূপ রস গন্ধ স্পর্শ আর
ফিরে যায় কাছে এসে প্রিতমপ্যায়ারে

ধনুকের ছিলা থেকে কার
নীরবে চালানো কিছু তীর
পরপর বিঁধে যায় কাঠুরের সফেদ দেয়ালে
ফুটে থাকে চারিদিকে মায়া অন্ধকার
হাঁ মুখ কাচের তীক্ষ্ণ ধার
                                 নিজস্ব খেয়ালে

বৃষ্টি লিরিক - সৌমাল্য



সব মেঘ কাঁদতে পারে না ঠিক। যতটা যার কান্না প্রয়োজন
মনখারাপই হাওয়ার মত, খামখেয়ালে বয় সে সারাক্ষণ
মৌসুমিরা মরশুমি নয়, ইচ্ছেমত কখন কি চাপ দেয়
মন ভেঙেছে জেহাদি ঝড়, ঘর ফেরেনি একান্ত সন্ধেয়
শরীর জুড়ে ধস নেমেছে, কাঁপতে কাঁপতে বর্ষা পোহায় শীত
গাছই জানে কোথায় ক্ষত, ঈশান কোণের দুচোখে নৈঋত
শহর আজও ভিজছে ভীষণ , বুকের ভিতর স্থির হয়েছে
রেলিংভেজা কাক
একলা হলেও বৃষ্টি নামে, আর পারে না ভিজতে যারা
তাদের জন্য জানলা খোলা থাক...

একটি কবিতা - তুলি রায়




কোনো মন খারাপের দুপুর বিষন্নতা মেখে রোদ পোহায়

কিছু যাযাবর ইচ্ছে

সমানুপাতিক অনুভবে ঝুরো রিংটোন

কাল্পনিক তাজমহলে সানস্ক্রিন


শুষে নেয় UVA UVB

আমাদের আড্ডা - অর্ণব গড়াই



শুধু কি গল্প, হালকা হাসি ঠাট্টা রসিকতাও,
আড্ডা মারার সময় হারিয়ে যেত কত কথাও ।
ঝড় উঠতো কখনও ক্রিকেটে কখনও ফুটবলে,
মোদী মমতারা তো নস্যি, অমর্ত্যরাও ঘরের ছেলে ।
গরম চায়ের চুমুকে কিম্বা লম্বা সিগরেটের ধোঁয়ায় ,
আড্ডাটা ঠিক জমে উঠতো সিঁড়ি তলায় রাত আটটায়  ।
দেশ বিদেশ খেলা সাহিত্য কি না থাকতো আলোচনায়,
হিংসেই জ্বলতো আকবর, এমনটা হতো না তারও নবরত্নের সভায় ।
অবসন্ন শরীর আর হাড়ভাঙা পরিশ্রমের পর ,
একে একে জমায়েত, জমে উঠতো সান্ধ্যবাসর ।
পচা গরমের রাতই হোক কিম্বা অঝোর বৃষ্টির সন্ধ্যে,
কোন কিছুই দাঁত বসাতে পারতোনা আমাদের আনন্দে ।
অবসরে বৃদ্ধ আড্ডার ঠেকে টগবগে নবীন যুবক,
নবীনে প্রবীনে উৎসবে অনুষ্ঠানে একে অপরের পরিপূরক ।
হাসির কলরব অথবা তর্কের আওয়াজে কেউ কেউ বিরক্তও হতো,
তবু আমরা মজে থাকাতাম আলোচনায় আমাদের মতো ।
আলাপ আলোচনায় সন্ধ্যে ফুরিয়ে রাত নেমে আসতো,
অসমাপ্ত কথাগুলি আবার কাল হবে এ কথাটাই থাকতো ।

দারুচিনি জ্বর - রুমা ঢ্যাং অধিকারী



দুপুরের ঘুমে
          দুঃখগুলো ছোঁয়াচে হয়ে গেলে
বিকেলের হাতা তাঁবেদারি করতে শুরু করে
একটা পায়রা এলেমদার হয়
      যখন আমার চোখগুলো মৌনসম্মতি দেয়
আর আমি নেমে আসি খাতমার্ক শহরে
যেখানে কর্ষণ নামক স্বাদকারক
                 তিতকুটে সিরাপ বানায়

চিবুক ছুঁয়ে উল্কা আঁকে
               যত গুঁড়ো গুঁড়ো পলিসমৃদ্ধ স্মৃতি
এবং তারা এলোমেলোভাবে
       নীলচে উৎসবে সামিল করে নিজেদের
জামরুল গাছে তখনও নগ্ন অভিলাষী দিনের আগুন
     ও আমার হাড়মাসে দারুচিনি গোছের জ্বর...

অবসেশন - সোনালি মণ্ডল আইচ



তোমার একসমুদ্র চেতনায়
বন্যার ভয়

শহর ভিজে একাকার
নাভিবলয় সপসপে

ডুবুরি ডুব জলে
পাঁজর ফাটছে

শ্বাস দিও
ঠোঁটে ঠোঁট রেখে

টুকুন আগুন জ্বেলো
ভীষন জাড়

সৃষ্টির আঁচড় নখের
লাইফ সাপোর্ট ...

মৃত্যুশয্যা - দেবাশিস্ বন্দ্যোপাধ্যায়



অনেক সময় ; সময় - বিশ্রাম নেয়
মধ্যবিত্ত পরিবারে ; বারান্দার
রোদে গ্রীলের ছাপ আঁকে মেঝেতে

...
সেইসব চিত্রপট বেশির ভাগ সমতল শানের
উপর ছায়াছবি ; উড়ন্ত প্রজাপতি
ফুল গাছ রংগনা ; ঝাকড়া ছায়া পাড়ে
বাতাসের দুলুনি বোঝায় ; *

.....
শোয়ার ঘরে , দময়ন্তী খাটে শুয়ে শুয়ে
সাদাকালো সিনেমা দ্যাখে দু'বছর দুপুর হলে ;
যার সত্যি কোন পরিচালক কে ?
.....
হয়ত হবে , ফুরসত পেলে সময়
দময়ন্তীর খাতিরে শখে সিনেমা বানায় 

পুতুল খেলা - নিশীথভাস্কর পাল




গাড়িটা একটা কুকুরের মতো  যেন রাস্তার গর্ত  শুঁকে শুঁকে  চলছে

কোথাও কোথাও এমন ভাবে  দাঁড়িয়ে পড়ছে  যেন প্রবল পটির নিন্মচাপ

অনেকটা সময় ব্যয় করেই  তোমার কাছে এলাম, মূল্যহীন তুমি আজ অমূল্য

বুকের মাঝে মুখ রেখে যে কালো তিলে ঠোঁট উদ্ভ্রান্ত

বুঝিনি তা আসলে চামড়া পোড়ানো ট্যাটু তিল নয়

যে নরম আদর ছিলো বিছানা পাতা রোদে তা ভালোবাসা নয়

যা কিছু বলা যা কিছু করা সব যেন দুই সেয়ানের দ্বৈতশাসন

পুতুল হীন আমরা পুতুল সেজে এক বেঁচে থাকার খেলায়...

স্নেহ - সুমন পাটারী



খেলতে গিয়ে পেয়েছিলাম মেঘের নূপুর
বসন্তের রেণুতিলক কপালে নিয়ে
কথা বিনিময় হলো অন্ধকারে চুমোর পর--

চোখে সারারাতের ঝগড়া নিয়ে
সকালে আবার চুমু খেয়েছি টিওশান ফিরত--

যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা এখন সভ্যতার অভ্যাস--
আমরা তার দাস--

ধর্ষিত প্রথম চুমোর পর তোমার আত্মসমর্পণের কথা মনে হলে
আজ এতোদিন পরও ভাবি
কুমারীর মনেও মাতৃস্নেহ থাকে।

এসো, কিন্নরসেনা - তনিমা হাজরা




দার্জিলিং পাহাড় থেকে নামছে কালো মেঘ,
হাত ধরাধরি করে হাঁটছে ছায়ামানবীর দল,
যারা মধুচন্দ্রিমার মিছিলে,
পা মিলিয়েছে হাজার বছর।

বন্ধ সরাইখানার বিছানায় তাদের উষ্ণ চুম্বন
ধীরে ধীরে মরে গিয়ে বরফে শুকিয়ে কাঠ।

আড়ালে এককোণে গুটিসুটি মেরে দাঁড়িয়ে আছে,
নগ্ন  সঙ্গম স্বেদ।

এখন সেই হোটেলের বেয়ারাটি ভাঙা থালা দিয়ে
ক্ষিদেকে ঢেকে রেখেছে  মধুচন্দ্রিমায় আসা সেই মেয়েটির অনিচ্ছুক কামের মতন।

সেই ছেলেটি যে সারাবছর হাজার মানুষকে শীতের সতীচ্ছদ ভেঙ্গে সূর্যোদয় দেখিয়েছে,
যুবতীর আঁচল খুলে নীবিবন্ধে ফুটিয়েছে রডোড্রেনড্রন,
সে এখন টাইগার হিলে কফিন সাজায়।

সেই সূর্য, সেই অর্কিডের দল এখনো সেইসব মানব- মানবীর  প্রতীক্ষায় রক্তাক্ত হয়ে আছে উদয়ের পুবালিতে

একটি কবিতা - রাহুল গাঙ্গুলি




বুনোঘাস।হেকেটি ক্ষমা নয়
ওটুকুরও আমিই বা কে
নৈরত্ বাগানে দেখি
নিউটন = পতন্ সেমিকোলস্
হুহু মন্ডপ : গলা বৃষ্টি পেতে চায় খিদে

উফঃ : ঢোকাও গর্তসাপ আকরিকে

Sunday, November 5, 2017

নিরালায় - মহাদেবাশা



একটা হরিণ ছুটে যাচ্ছে। লালচে একটা বাতাস টেনে নিয়ে হাল্কা হল দাশু। কি রকম একটা ঘোর লাগা আয়নার ভিতর দিয়ে জীবন কেটে যায়।

কখন যে সে নিজেই একা হয়ে পরে তা বুঝে ওঠার অনেক আগেই আবার সে দোকা। ভিতরের ঘুমিয়ে থাকা আনন্দ কুয়ো খুঁজে। আত্মহত্যার দড়ি লম্বা হতে হতে সেঁতু হয়ে যায়। কখনও আর আলগা হতে পারে না।

সিগারেটটা অনেকটা পুড়েছে। এখনও জানালার ওপারে একটা চিলের উড়ে যাওয়া। উদাসী হয়ে যাচ্ছে মেয়েটার দুপুর। কখনও কী ক্লান্ত হবে এই পথ-ঘাট! রসিকতায় ভরে উঠে মৃত্যুর খই।

দাশু দুপ্যাক চড়িয়ে নিয়ে মৃত্যু লিখে যায়। দুচোখে ঝরে পড়ে-যাকে না চাহিলেও পাওয়া যায় টাইপের উইপোকার বিয়োগ।

অক্ষর লিপি - দেবাশিস মুখোপাধ্যায়



সারাদিন জলে শুয়ে আছে ৷ ছেড়ে গেছে যে আলো তাকে আর কে ফেরাবে ! বেনামে চিঠি উড়িয়ে দি
ভেজা পায়রার পায়ে

এসব চেষ্টা ক্রমশ ভাসে কাগজের
নৌকায় । কায়া প্রতিমার মা হবার
সাধনায়  অপেক্ষা করে সাধক চোখ

খরচের খাতার উপর এখনো লালকালি দুর্গাসহায় ৷ হায়েনার হাসি হারানোর পর প্রাচীন থামে
মেয়েহারা হাহাকার

কারা ফিরে এলো জল ঘট ভেঙে
চিতা পিছনে রেখে !

হঠাৎই... - অরিন্দম ভাদুড়ী



আলগা ছুটি,আজ বিকেলে একগেলাস
শরবতকে তোর দিকেতে,'একটু খাস !'
কমছে আলো,সন্ধে আনার ধান্দাতেই
মেঘ করেছে,অল্প,তাতে বৃষ্টি নেই |

ঠেলায় ফুচকা,দৌড়িয়ে তোর দরজা ডাক,
বেমক্কা ঝাল,আজ তবুও চলতে থাক |
চোখের সঙ্গে নাকের জলের অস্থিরে,
গাল টিপে তোর আলতো "উফ্,কি মিষ্টি রে !"

বিকেল থেকে সন্ধে নামলো রাস্তাতেই,
মেঘ করেছে,বৃষ্টি নামুক,দুঃখ নেই

শর্ত - সঙ্গীতা রায়




কার্পণ্য প্রাথমিক শর্ত
তাই ভালবাসা এত হিসাবি..
পথ অন্ধগলিতে থেমে যায় ...

চোরাবালির স্রোত পায়ের নীচে
দিশা পাল্টে ক্রমাবনমন
যুক্তি পাল্টা যুক্তি স্বমহিমায় ...

সহজ কথায় অদৃশ্য নিষেধাজ্ঞা
বক্রী চোখে সব কিছু দেখা
দুর্বোধ্য জটিলতায়...

ভুলের ভাঙন অনেক দেরিতে
মৃত্যুর পর সবাই মূল্যবান
জীবন মুমূর্ষু কেটে যায় ।

একটি কবিতা - শাল্যদানী



আমার চোখের জল বিক্রি হবে কোলকাতার রাজপথে!
সেদিন তুমিও এসো প্রেমিক কবিতার খাতা হাতে l

ভালো নেই আমি তাদের অভিশাপে
একটু প্রশ্রয়ের জন্য ভালোবাসা আজ অতীতের গুহায় আশ্রয় নিলো

বন্ধু আজও কি তোমার ফেরার সময় হলো না ?

অনেকটা এগিয়ে - জ্যোতির্ময় রায়




ছয়টা চার । সাইরেন বেঁজে উঠলো আবার । আস্তে আস্তে সরে সরে যেতে থাকল স্টেশন চত্তর ।এবার সামনে আরো সামনে এগিয়ে যাবার পালা । ইচ্ছে ছিল ফটোগ্রাফার হবে অনির্বাণ । পাহাড়। ,নদী ,ঝর্ণা ,মেঘ ...খুব কাছে টানত ওকে ।
বাবার ইচ্ছে ডাক্তার হবে ছেলে ,মা আবার বলে ইঞ্জিনিয়ার ।জয়েন্টে দুটোতেই ভাল রাঙ্ক ।"তবে ডাক্তারটাই থাক ।"বাবাকে ভয় করে যে খুব ও ।।
 
 এবার এগিয়ে চলার পালা ।ও সব সময় এগিয়ে থাকতোও স্কুলে ।


  তৃতীয় দিন । ছাদের রেলিং ধরে এগিয়ে যেতে হবে সামনের বিল্ডিংটায় ।সিনিয়রদের আদেশ ।অমান্য করা যাবে না ।
ও ঠিক আগের মতোই এগিয়ে চলল ,সামনে ,আরও সামনে ....।

  হঠাৎ একটা শব্দ ...।


তারপর সবার থেকে অনেকটা এগিয়ে চলে গেল অনির্বান ।পিছনে ফিরে আর তাকায় নি ।।

যুদ্ধ এবং - শর্মিষ্ঠা ঘোষ



আমি  এমনি এমনি বলেছিলাম যাবো
           সত্যি কি আর যেতাম না কি চলে?
           বুঝিনি তোমার তাড়া ছিল
           বসে ছিলে এর ই মওকায়
দিব্যি  একবাক্যে লুফেছ এই চান্স
          দরজা খুলে বললে, আচ্ছা বেশ
          দেখেশুনে সাবধানেতে ষেও
          নেক্সট নাম্বার লাগিও ঠিকঠাক
কিন্তু   আমি কতদূর বোকা হাবা ?
          মানবোই না সত্যি যেতে হবে
          মানলেও বা, আমি কি ফুটবল?
          যার যেমন ইচ্ছে,  লাত্থাবে?
তাই  গোলপোস্টে বল দিয়েছি ঠেলে
         সেমসাইডে হারই হল নয়
         নতমস্তক ক্যাম্পে ফিরে যাব
        তোমার যুদ্ধ জয়ের সেলিব্রেশন শেষে

একটি কবিতা - অমর নস্কর



জুঁই ঝরে গেছে টগরের জ্বর
মাসিমা ধুঁকছে ভয়ে
জানা রোগ তবু অজানা জ্বরের
ফরমান কথাকয়।

হারায় যারা হৃদয়ের ধন
চোখে মুখে হাহাকার
সরকারি হাত কলঙ্ক মুছে
রাশ টানে বারবার।

সম্পাদকীয়

আমি সঙ্গীতা পাল এডিটর অফ মেঘ বৃষ্টি রোদ্দুর।আমাদের প্রথম যাত্রা শুরু হয় 2012 তে।প্রিনটেড পত্রিকা হিসেবে।এখন সময়ের দাবি রেখে শুরু হয়েছে...