একটা হরিণ ছুটে যাচ্ছে। লালচে একটা বাতাস টেনে নিয়ে হাল্কা হল দাশু। কি রকম একটা ঘোর লাগা আয়নার ভিতর দিয়ে জীবন কেটে যায়।
কখন যে সে নিজেই একা হয়ে পরে তা বুঝে ওঠার অনেক আগেই আবার সে দোকা। ভিতরের ঘুমিয়ে থাকা আনন্দ কুয়ো খুঁজে। আত্মহত্যার দড়ি লম্বা হতে হতে সেঁতু হয়ে যায়। কখনও আর আলগা হতে পারে না।
সিগারেটটা অনেকটা পুড়েছে। এখনও জানালার ওপারে একটা চিলের উড়ে যাওয়া। উদাসী হয়ে যাচ্ছে মেয়েটার দুপুর। কখনও কী ক্লান্ত হবে এই পথ-ঘাট! রসিকতায় ভরে উঠে মৃত্যুর খই।
দাশু দুপ্যাক চড়িয়ে নিয়ে মৃত্যু লিখে যায়। দুচোখে ঝরে পড়ে-যাকে না চাহিলেও পাওয়া যায় টাইপের উইপোকার বিয়োগ।

No comments:
Post a Comment