আত্মদহনের কাছে বসিয়ে রাখছি নাচঘর
কিছুটা আলোক পেতে পরি
পাথরের আঙটি পরি খড়িফাটা আঙুলে আঙুলে
নামতার পাঠ পড়ি জলবৎতরলং গুলে
জলের স্পর্শের কাছে পাথরও তো
খুলে দেয় তার দিল, অন্তরমহল
আমারই ভেতরে শুধু দেখো
ডানামুড়ে পড়ে থাকে সব রুদ্ধদল
সরষের খেত থেকে ভেসে আসে
পরাগের ধ্বনি
নীল তরবারি এক অদৃশ্য নিয়মে
ঝুলে থাকে জানালার তারে
খচাখচ কেটে দেয় রূপ রস গন্ধ স্পর্শ আর
ফিরে যায় কাছে এসে প্রিতমপ্যায়ারে
ধনুকের ছিলা থেকে কার
নীরবে চালানো কিছু তীর
পরপর বিঁধে যায় কাঠুরের সফেদ দেয়ালে
ফুটে থাকে চারিদিকে মায়া অন্ধকার
হাঁ মুখ কাচের তীক্ষ্ণ ধার
নিজস্ব খেয়ালে

No comments:
Post a Comment