আমি সঙ্গীতা পাল এডিটর অফ মেঘ বৃষ্টি রোদ্দুর।আমাদের প্রথম যাত্রা শুরু হয় 2012 তে।প্রিনটেড পত্রিকা হিসেবে।এখন সময়ের দাবি রেখে শুরু হয়েছে blog magazine যেখানে আমরা প্রত্যেক মাসে তিরিশ জনের লেখা whatsup group থেকে নিয়ে, প্রকাশিত করবো এই আমাদের সামান্য কথা। যদি আমরা এই মাস্যা নিয়ে এসেছি বত্রিশ জন লেখকের lekhaআমাদের উপদেষ্টা হিসেবে আমরা পেয়েছি রুপম রায় চৌধুরী, রাহুল গাঙ্গুলি, অপ'ণমাঝি, দেবব্রত, জোতির্ময় মুখার্জী, জোতির্ময় রায়, ঐন্দ্রিলা মোহান্তি, শৌভিক ঘোষ, সৌমাল্য, কাকলি মুখার্জি, স্বর্ভানুকে। এনাদের সাহায্য ছাড়া এই blog শুরু করতে আমরা পারতাম না। তাই এনাদের সকলেই মেঘ বৃষ্টি রোদ্দুর এর পক্ষ থেকে বিশেষ ধন্যবাদ, এবং কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি।
Saturday, December 9, 2017
সম্পাদকীয়
আমি সঙ্গীতা পাল এডিটর অফ মেঘ বৃষ্টি রোদ্দুর।আমাদের প্রথম যাত্রা শুরু হয় 2012 তে।প্রিনটেড পত্রিকা হিসেবে।এখন সময়ের দাবি রেখে শুরু হয়েছে blog magazine যেখানে আমরা প্রত্যেক মাসে তিরিশ জনের লেখা whatsup group থেকে নিয়ে, প্রকাশিত করবো এই আমাদের সামান্য কথা। যদি আমরা এই মাস্যা নিয়ে এসেছি বত্রিশ জন লেখকের lekhaআমাদের উপদেষ্টা হিসেবে আমরা পেয়েছি রুপম রায় চৌধুরী, রাহুল গাঙ্গুলি, অপ'ণমাঝি, দেবব্রত, জোতির্ময় মুখার্জী, জোতির্ময় রায়, ঐন্দ্রিলা মোহান্তি, শৌভিক ঘোষ, সৌমাল্য, কাকলি মুখার্জি, স্বর্ভানুকে। এনাদের সাহায্য ছাড়া এই blog শুরু করতে আমরা পারতাম না। তাই এনাদের সকলেই মেঘ বৃষ্টি রোদ্দুর এর পক্ষ থেকে বিশেষ ধন্যবাদ, এবং কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি।
লেখক সূচী
- সম্পাদকীয় - সঙ্গীতা পাল
- কোরিওগ্রাফি - কবি সোনালি মণ্ডল আইচ
- একটা মধুবনি সকাল - কবি তুলি রায়
- একটি কবিতা - কবি রাহুল গাঙ্গুলি
- দহন - কবি অভিজিত মন্ডল
- পুনশ্চ - কবি শাল্যদানী
- অতন্দ্রিতা - কবি স্বর্ভানু সান্যাল
- একটি কবিতা - কবি মহাদেবাশা
- অসুখ - মুক্ত গদ্য - লেখক সৌমাল্য
- একটি মুক্ত গদ্য - লেখক অরিন্দম ভাদুড়ী
- চিচিং ফাক - কবি সুখবিন্দর সরকার
- নহন্যতে - কবি জ্যোতির্ময় মুখার্জি
- পরত - কবি শর্মিষ্ঠা ঘোষ
- নদীর দেশের মেয়ে (আঞ্চলিক কবিতা ) - কবি আরিফুল ইসলাম সাহাজি
- সংগীতময়তা - কবি কুমারেশ তেওয়ারী
- এখন - কবি সঙ্গীতা রায়
- সংগ্রাম - কবি সোমা বিশ্বাস
- এক টুকরো সাদা কাগজ দিও - কবি দীপক আঢ্য
- মেনোপজ -কবি দীপকচন্দ্র বর্মন
- অ্যাথলেটিক শয্যা - কবি ঐন্দ্রিলা মোহান্তি
- ডুয়ার্স - কবি বিজন পন্ডিত
- বিষণণ - কবি জয়ন্ত ব্যানার্জি
- টুকিটাকি না পাওয়ার ব্যাগ - কবি মৌসুমী ভৌমিক
- প্রেম যখন অঙ্গুরীমাল - কবি অর্পণ কুমার মাজি
- সম্পূর্ণা - কবি প্রবীর ভদ্র
- দুটি কবিতা - কবি দেবাশিস মুখোপাধ্যায়
- এত পর্দা ঢালো কেন? - কবি বিপ্লব সরকার
- সার্চলাইট - কবি দেবব্রত মাইতি
- ধারাবাহিক - কবি দেবদূত
- নামহীনা - কবি অরিজিত
- সুকনা - শৌভিক ঘোষ
- একটি কবিতা - কবি অমর নস্কর
পুনশ্চ - কবি শাল্যদানী
কিছু কিছু ইতি থাক ভালো
জীবনে বাঁধন আসে
কথামত কথাকলি কম্পিত কলিজা
আজ থাক।
তার চেয়ে ভিসুভিয়াস আগুনে গরম সন্ধি হোক
যৌবনের পতাকা নীল
কে কবে বলেছিল কে জানে
রঙের তুলিতে কুয়াশা
আশার রঙে প্রলেপ
এক দ্বন্দ্বসমাস
তমসা
বলতে গেলে গামছাবাঁধা মাটি
সোনার চেয়ে খাটি
আমার শান্তিনিকেতন
একটা স্বপ্নের ইতিকথা
নাটকের সংলাপ।
সব কিছু বলেছে কোকিলা
নীল রঙে লালও মিশিয়েছে
কিন্তু
নীলে লালে মিশে বেগুনী গল্পটা
সেই শুভপরিনয়ের অভিনয়টা
এক এক্কে দুই হয়ে গেলো।
এক একাই রয়ে গেল
ছায়া হোলো দুহুঁ
ভালোবাসা দীর্ঘজীবী হোক।।
অসুখ - মুক্ত গদ্য - লেখক সৌমাল্য
যেকোনো ঘরে ঢুকি একটা গোপন অসুখের গন্ধ টের পাই। দেয়াল আর পাঁজরের ঠুলিতে শৌখিন করে লেপে গেছে রাজমিস্ত্রি । আমি তাকে দোষ দিই না। তার কাজ ঘর বানানো। অসুখের জন্য বন্ধ কামরাগুলো দায়ী। বাইরে থেকে খোলা দেখালেও ভিতরে ভিতরে বন্ধ।
পাশের বাড়ি বলে কিছু হয় না। বাড়ি একটাই- আশ্রয়। পাশের বাড়ির লোক বলতে যা বোঝায় তারা আসলে ক্লোন করা জীব। এমনকি ওদের স্বপ্নগুলোও নকল। টুকলি বা ধার করে চলে।
এইসব বাড়িগুলো লাইসেন্স পায় কি করে জানি না। এগুলো অবিলম্বে ভাঙা উচিত।
রাস্তা চওড়া হওয়াটা খুব দরকার।
যত ঘর তত অসুখ। সবাই রুগী। রোগ এতটাই সংক্রামক যে সুস্থ বলতে কেউ নেই।
যে ডাক্তারের চিকিৎসা করার কথা সে নিজেই অসুস্থ।
রাস্তাটা চওড়া করতেই হবে। এমন একটা রাস্তা যেখানে পাশাপাশি হাঁটা যাবে - বলছি না যে সেখানে খানা খন্দ থাকবে না, রাস্তার স্বভাবেই তা হবে। হাঁটতে হাঁটতে লোকগুলো একে অপরকে দেখবে জানবে,
কার কোথায় ক্ষত, এগিয়ে এসে নরম স্পর্শে ক্ষতগুলো কুড়িয়ে নিয়ে বলবে
কোথায় ব্যথা, কই অসুখ!
মুক্ত গদ্য - লেখক অরিন্দম ভাদুড়ী
আমার পূর্বপুরুষ ওপার বাংলার,রাজশাহীর,এপারেও বাড়ি ছিলো,রুক্মিণী কুন্জ | '৭১ এ ঠাকুর্দা পাট গুটিয়ে পাকাপাকিভাবে বাস করতে শুরু করেন হাওড়ায়,ওপারের সবকিছু বিক্রি করে |
ঈশ্বর গোবিন্দ ভাদুড়ী,আমরা ডাকতাম "জ্যেঠু" বলে,যিনি সদ্যপ্রয়াত,তাঁর ছেলেবেলা কেটেছে ওপারে | খাদ্যাভ্যাসে এক্কেবারে,যাকে বলে "মেছো" |
আমার মায়ের রান্নার হাতটি বরাবরই চমৎকার... তখন একান্নবর্তী পরিবার,জ্যেঠুর বড় প্রিয় ছিল মায়ের হাতের ভেটকি পাতুরি | মা কে তুই করে ডাকতেন,বয়সের বিস্তর ফারাকের জন্য,প্রায় অপত্যস্নেহে |
_
এখন,বলা যেতে পারে আমিই বাড়ির অভিভাবক,বাবা সযত্নে এই দায়িত্ব থেকে অবসর নিয়ে নাতনি,খেলা ইত্যাদিতে মগ্ন |
শরৎ মাছওয়ালার থেকে আজ ভেটকি মাছ কিনে মা-কে বললাম "পাতুরি বানাও তো !"
হাতে মাছের থলি,মা-র চোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়ছে জলের ধারা...
মনে পড়লো,জ্যেঠু বলতেন "ছোটোবউ,আজ ভেটকি পাতুরি রাঁধিস তো ! বড় ভালো লাগে"...
নামহীনা - কবি অরিজিত
নদীগুলো ধূসর;অনেকটা তোমার মতো।
ক্ষতচিহ্নে যখন দুব্বো দেবে
তাকিয়ে থাকব তারায়;আমি নক্ষত্রপ্রেমিক।
নদীর ধারগুলো মৃত্যুর মতো প্রাগৈতিহাসিক।
আমার জীর্ণ হাতে তুমি যখন শতাব্দী রাখবে
পুকুরে রাজহাঁস ছাড়ব;নিপুণ বিলাসিতায়।
বুনো ফুলেরা শীতের রাতে আসে
আমি তাকিয়ে থাকি,চোখে কুয়াশা পড়ে।
লণ্ঠনের আলো খুব ঘন হয়;প্রেমিকার গল্পের মতো।
সুকনা - কবি শৌভিক ঘোষ
ক্রমশ ভোর হয়ে আসে
পাহাড় থেকে নেমে আসতে আসতে ।
দুপাশের জঙ্গল ভেদ করে
বেরিয়ে আসে একটা মোটরবাইকের আলো ।
বিশাল বিশাল গাছ আর
শুকনো পাতার অরণ্যে
সুরেলা পাখির ডাক শুনি, বুঝি
কংক্রিটের মিছিলে গিয়ে দাঁড়াবো এরপর ।
রংটং হয়ে আরও অনেকটা নিচে নেমে আসি
তখনও অন্ধকার শেষ হতে বাকি ।
এক মুহূর্তেই ভিজিয়ে দিয়ে যায় পাহাড়ী বৃষ্টি।
ভেজা শরীর নিয়ে থামি সুকনা স্টেশন চত্বর।
চা খেতে খেতে
ক্রমশ মানুষের স্রোত ঘিরে ফেলে
সব হারিয়ে যেতে থাকে হিসেবি হাওয়ায়।
গুনে গুনে পা ফেলে ঘরে ফিরি
উদ্দ্যেশ্যহীন ভ্রমণ শেষে
শুরু হয় রোবট যাপন ।
বিষণণ - কবি জয়ন্ত ব্যানার্জি
হে সর্বজ্ঞ!
তোমাকেই শুধাই আদর্শ নীতি-
গূঢ় তত্ত্বের খোঁজে কম্পিত আকাশ
অক্ষতযোনির গভীর জিজ্ঞাসা
অনূঢ়া স্বেদ অন্তর্দেশে--
মনুষ্যত্বকে চাপা দেয় নির্বোধ সভ্যতা
নিরেট সত্যি বলাটা ঠেকে গেছে তলানিতে আজ।
পলিথিনের মোড়কে সব সাধ অপূর্ণ!
নাপাক স্যাঙটাম ফরমান।
হে সর্বজ্ঞ!
আগামীর ইতিহাস পাবে কোন উপহার?
কোন মন্ত্রে উদয় হবে সন্তান সবার?
দুটি কবিতা - কবি দেবাশিস মুখোপাধ্যায়
১।
হন্তারক
বস্তুত কিছুই ভাবছি না
কিছু পুরনো বইয়ের হলুদ
অক্ষরের গন্ধ পাতাকে
গাছ থাকতে দেয় না
এখনও একটা ছায়া খুঁজে
হয়রান ভিতর ঘর
এড়িয়ে যাচ্ছে নিজেকেই
২।
ধ্যান
দেবাশিস মুখোপাধ্যায়
ধারণার গভীর অংশে আছি
কুয়া থেকে কুয়াশা পার
একটা রহস্য খেলছে
ধরা যাচ্ছে না
মৃদু হাসছে সচ্চিদানন্দ
এ আলোর কোনো ছায়া নেই
নিঃশব্দ আলাপ
উচ্চগ্রামে নিয়ে যাচ্ছে
বিশুদ্ধ চৈতন্যকে
নেতিতে ফিরতে পারছি না
এখন - কবি সঙ্গীতা রায়
ঝড় থামার নিস্তব্ধতা এখন...
কত বিরুদ্ধ অমানবিক বাধার প্রাচীরে
ধাক্কা খেয়ে অবশেষে
স্বপ্নের রোদ্দুর হারিয়েছে নিরুচ্চারে ।
সকাল দুপুর পেরিয়ে অভিজ্ঞ সন্ধ্যা ...
আকাশপ্রদীপ আলো ছেটায় অন্ধকারে
অক্লান্ত পথ বুক পেতে রেখেছে
পদদলিত হয়ে ...তবুও নির্বিকারে।
তারাদের আলো পৌছবেনা হয়তো
বিষণ্ণতার কুয়াশা ভেদ করে..
লালসা আর ঔদ্ধত্যের লৌহ শলাকা
নরম মাটির স্নেহকে দিয়েছে তছনছ করে।
সংগীতময়তা - কবি কুমারেশ তেওয়ারী
যতটা আনন্দ ধরে রাখি মনে তার কাছে
কিছুই নয় আমার টুকরোটাকরা দুঃখবিলাস
দুঃখদের আমি পরিযায়ী পাখি বলি
মাঝেসাঝে শীতের দুপুরে ওরা আসে
কিছুদিন থাকে তারপর উড়ে চলে যায়
আমি তখন শিশুদের পুতুলখেলার কাছে
ছেড়ে দিয়ে আসি আমার আনন্দ কে
সেখানে সে বিয়ে বিয়ে খেলায় বর বউ সাজে
আমি আড়াল থেকে শিশুদের নিস্পাপ খেলা দেখি
একটা সময় শিশুরা যখন তাদের মায়েদের হাত ধরে
ঘুমোতে যায় ঘুমের মধ্যবর্তী দেশে
তখন আমি সাবধানে তুলে নিয়ে আনন্দ কে
রেখে আসি উচ্চাঙ্গসংগীতের মীড়ে
উবু হয়ে বসে দেখি কীভাবে গায়ক
তার সঞ্চারির নৌকোয় রাগিণীকে ভরে
শান্ত নদীজল কেটে কেটে এগিয়ে যাচ্ছে
এক আলোময় নদীর পাড়ের দিকে
মেনোপজ -কবি দীপকচন্দ্র বর্মন
উদাসীন ভালোবাসা নোনা পড়ে ভালো-বাসায়
ওরা তবু বুদ হয়ে রয় সোস্যাল হওয়ার মিডিয়ায়।
বেড রুমে রাত বাড়ে শ্যাওলা জমে গুণিতকে
ইতিপূর্বে সময় গিয়েছে চুরি
সন্তানের বুকে ওম রেখে।
সময় তুমি অপেক্ষা করো সময়ের বুকে ছুরি মেরে!
ভালোবাসাবাসি সে তো রজঃস্বলা চিহ্ন আঁকে
মেনোপজ দেওয়াল জুড়ে।
সংসার কবিশালা নয়
গ্লাসে-মদে-উল্লাসে ঋতুজরা রাত্রি পরস্পর কবিতায় শরীর জুড়োবে।
প্রেম যখন অঙ্গুরীমাল - কবি অর্পণ কুমার মাজি
প্রেম যখন অঙ্গুরীমাল হয়
প্রতিটা বসন্তের আংটি পরপর সাজিয়ে রাখে
শরীরের নিঃশ্বাসে।
১৮০ ডিগ্রি আঁচে বানানো হয় নতুন কোনো ডিশ্
প্রেম যখন অঙ্গুরীমাল হয়
সারা শরীরে জ্বর মেখে
অসংলগ্নতায় পূর্ণতা পায় মেরুদন্ড
বিলাপে মৃতের অভিনয়।
প্রেম যখন অঙ্গুরীমাল হয়
খণ্ডযুদ্ধ লেগে যায় শেকড় মূলে
কুচিকুচি জল বন্যা লেখে
সব পালটউলট করে দেয়।
অতন্দ্রিতা - কবি স্বর্ভানু সান্যাল
টাইগ্রিস নদীর তীরে মরে যাওয়া তারার মতো
ম্লান তোমাকে দেখেছি; তখন রাত্রি গত।
তারারা সব খসে পড়েছে বাসি ফুলের ভিড়ে
সারা রাত প্রহর জেগে। তুমি একলা বসে নদীর তীরে
দূর পাহাড়ের দিকে তাকিয়ে ছিলে; তোমার চোখের
নীল তারাটা খুঁজছিল নদীর জলের
ঝিলমিলিতে তোমার মনের মানুষের ছায়াখানি;
তোমার ঠোঁটে ছিলো
অতন্দ্র প্রতীক্ষা..তোমার অধর থরথর আবেশে কাঁপছিলো
যেমন বাঁশবনেতে বাশের পাতায়
মৃদু কাঁপন আনে ফাল্গুনি হাওয়ায়
ভ্রমর যেমন কাঁপে প্রিয়র পরশ সুখে
তেমনি উদ্বেলিত পূর্বরাগ তোমার মুখে
ভোরের আলো হয়ে ছড়িয়েছিল, বৃদ্ধ ধ্রুবতারা
লোভীর মতো তাকিয়েছিল তোমার দিকে; বাক্যহারা,
তন্ময় হয়ে দেখছিল তোমার নিটোল স্তনপুটের
শোভা, অমানিশার মৃত রাত্রি জাগরণের
ক্লান্তি অপনোদন হচ্ছিল তোমার মুখের পানে
চেয়ে, অলস মেদুর বাতাস বয়ে আনে
তোমার শ্যাওলা গন্ধ, তুমি ইলশেগুড়ি বৃষ্টির মত
অনুজ্জল; সভ্যতার কোন এক আদি লগ্ন থেকে কত শত
বছর ধরে তুমি ঐ দূরে
নাম-না-জানা এক পিরামিডের বিবরে
বন্দিনী ছিলে, নন্দিনী তোমার সব কামনা
সব না-পাওয়া, সব ইচ্ছে, সব নির্জনতা
সব ব্যাথা, সব নীরবতা হাজার বছর ধরে
তোমার জীবিত কবরে,
এক অসফল মৃত মিশর রাজার সাথে
অন্ধকার রন্ধ্র গলি খুঁজে মরেছে,
মুক্তি পাওয়ার ইচ্ছে নিয়ে মাথা কুটেছে
অর্বুদ কোটি অন্ধ দিবারাতে,
অক্ষম নিরালাতে।
ওগো রাজদাসী,
আর জন্মে বলেছিলেম “তোমায় ভালবাসি”
তোমার মৃণাল-আঁখি মেলে দেখো আমায়;
রাজার শরীর-বিছে শান্ত হলে আমার প্রতিক্ষায়
প্রহর জেগে থাকতে তুমি অন্তঃপুরে
গভীর মরণ নিতাম আমি তোমার শরীর জুড়ে
দুই প্রাণেতে বাজত সঙ্গীত
রুদ্ধ-কারা পাখির মত দিকবিহিত-
শুণ্য দুটি প্রাণ উঠত মেতে মত্ত অভিলাষে।
ছাতিম ফুলের গন্ধে যেমন সাপ আসে
তেমন করেই গভীর রাতে, গোপন পথে, চন্দ্রালোকে
তোমার কক্ষে আমার অভিসার। কুরুবকের
মালা খোঁপায়, শঙ্খিনী সাপ-শরীর তোমার কুসুমশয্যায়
ছিন্নলতার মতন পড়ে থাকত। আমার ছোঁয়ায়
জাগত তোমার শরীর অম্লমধুর শিহরণে।
মত্ত হরিণীর মত তোমার বেতস-লতা-বাহু দিয়ে প্রাণপণে
আমায় জড়িয়ে ধরে আমার কর্ণকুহরে
গলা-লোহার মত তোমার তপ্ত অধরের
ছোঁয়া বলত যেন ফিসফিসিয়ে “তোমায় ভালবাসি।” তুমি
উন্মাদিনি নির্ঝরিণীর মত আমার সর্ব অঙ্গ চুমি
আছড়ে দুমড়ে পড়তে আমার সারা শরীর জুড়ে
সেই গোপন অন্তঃপুরে।
আতর গন্ধ ভরা তোমার অপ্রশস্ত গভীর সানুদেশের
নিশ্চিন্ত আশ্রয়ে স্বপ্ন দেখেছিলাম কোন এক দুর দারুচিনি দেশের
যেখানে তোমায় নিয়ে পালিয়ে যাব এক শীতের রাত্তিরে
ছোট্ট আমাদের ঘরটা হবে ক্ষীণতোয়াটির তীরে
নদীর জলে ধুইয়ে দেব তোমার সকল ক্লেদ, সকল যন্ত্রণা, ওগো রাজদাসী,
তখন তুমি মুক্ত বিহঙ্গী, তখন তুমি আমার মহীয়সি
যখন প্রাক-সন্ধ্যা কালে তোমায় নিয়ে করব নৌকাবিহার
তোমার কাঁঠালচাপা গন্ধটুকু নেবার
হেতু আকুল বাতাস ঘন হয়ে থাকবে তোমার
আশেপাশে, ধুলোমাখা ঘোড়ার খুরের মত মলিন
চতুর্থী-চাঁদ আশ মিটিয়ে দেখবে তোমায়,
আলো দেওয়ার ছলে। বিলীন
হবে সব তারা মাসকলাই-কালো মেঘের পিছে
তোমার কাঁকন-পায়ের ছোঁয়ায়
ছলাৎ ছলাৎ সুর বাজবে নদীর জলে, নীচে
দীগন্ত-ব্যাপী সেই আলো-আঁধারি, শ্রান্ত শ্যামলিমায়
শ্যামাঙ্গী, তোমার শরীরের নগ্নতায়
পথভ্রস্ট মরুযাত্রীর মত হারিয়ে যাব তোমার শরীর গহনে
অংকুরিত ইচ্ছা ছিল মনে
সেদিন রক্তমেঘ ছিল ইশান কোণে
আর গভীর রোদন আমার প্রাণে
যেদিন নিয়ে গেল তোমায় সুসজ্জিত চতুর্দোলায়
রাজ-সমাধির অন্ধ কারায়
মৃত রাজার সেবার তরে
সেখানে তুমি হাজার বছর ধরে
অপেক্ষা করেছ কি আমায় ছোঁয়ার?
আমার গন্ধ নেবার?
তাই কি সেদিন নদীর জলে পা ডুবিয়ে দুর পাহাড়ে
আমায় খোঁজ? তোমার অতৃপ্ততায় ম্লান শরীরে
ডুব দিয়ে স্নান করব বলে কাছে গেলে
তুমি এক বিন্দু অশ্রু হয়ে মিলিয়ে গেলে
টাইগ্রিস নদীর জলে।
একটি কবিতা - কবি রাহুল গাঙ্গুলি
তোমার পোষাকহীনতা।হাওয়াকলে চুড়মাড়
তোমাকেই চাই।তোমাকেই
খয়েরী বলয়।কালো উন্মাদনা।বাসি স্যাটেলাইট
উগ্রতা = উপগ্রন্থিমূলক
মাইরি।তোমার ঈশ্বরীয় ভ্যাজাইনার দিব্যি
বারুদঘর ভিজে উঠুক : টুপটাপ ভারী জল
সাইরেন ≠ পাগলাগারদ ≠ নোংরা সেক্স
যারা কবিতা লেখে বা লেখে না।স্যাঁতস্যাঁতে ঘাম
চিঠির হুল্লোড় বাড়ে।রাতের ঘনত্ব = মেঘা
রূপ তোমার নরকজাত দাবির ভিতর ভিসুভিয়াস
নদীর দেশের মেয়ে (আঞ্চলিক কবিতা ) - কবি আরিফুল ইসলাম সাহাজি
লদীর দেইস্যের মাইয়া ...
আমি যদি হয় মাঝি ,
তুই উঠবি মোর নায়ে !
ভয় লাইকো তোর ডুববি লাকো
লদের জলে ডুবে ।
লদীর দেইস্যের মাইয়া ....
আয় চলে আয় তাড়াতাড়ি
জলঙ্গি লদের তীরে ,
মাঝি তোর বইস্যা আছে
বৈঠা ফেলে জলে ।
লদীর দেইস্যের মাইয়া ....
মাঝি আমি লইকো
মন্দ ,ডর লাইকো কোন ,
তরে লয়ে যাবে মাঝি
অচিন কোন দেইস্যে ।
লদীর দেইস্যের মাইয়া ....
একবারটি আয় চলে
মাঝি তোর বইস্যা আছে
জলঙ্গি লদের কূলে ।
এক টুকরো সাদা কাগজ দিও - কবি দীপক আঢ্য
বুকের ভিতর ঠিক যতটা দুঃখ জমেছে
ততটাই জমেছে কথা
আমাকে এক টুকরো সাদা কাগজ দিও
আর অন্তত একটা পেন্সিল।
যে রাত্রি জেগেছিল ঘুমহীন চোখে
যে রাত্রি একা চাঁদ
নির্বাক সঙ্গী পেয়ে ছড়িয়ে ছিল আলো,
আমাকে ছবি আঁকতে বলে
ভোরবেলা মরে হয়ে গেল সাদা--
সে দুঃখ এখনো ঘাসের ভিতর রেখেছি লুকিয়ে
ছবি আঁকতে পারিনি বলে
কত কান্না জমিয়ে রেখেছি পাতার আড়ালে
আজ অন্তত এক টুকরো সাদা কাগজ দিও
কত কথা জমেছে বুকের ভিতর-- কত কান্না
লিখে রাখতে হবে সব--
পাছে কথারা শুকিয়ে হয়ে যায় ফ্যাকাসে ক্যাকটাস!
সংগ্রাম - কবি সোমা বিশ্বাস
সংগ্রাম করে চলেছি দিন-রাত্রির সাথে,
সূর্য আর চাঁদ যেন আমার প্রতিযোগী ।
কিছুতেই পেরে উঠছি না তাদের সাথে,
বয়সটাও এগিয়ে চলেছে আমাকে ছেড়ে ।
সংগ্রাম করে চলেছি জীবন-মরণের সাথে,
বয়ঃসন্ধিটাও প্রায় জীবনের এক চতুর্থাংশ,
তবুও যেন দুর্ভাগ্য আমার পিছু ছাড়েনি ।
তাইতো সে আজও আমার পরম হিতৈষী ।
সংগ্রাম করে চলেছি হার-জিতের সাথে
,
তাই আমি ত্রিশঙ্কু হয়ে অবস্থিত ।
এই সংগ্রাম যে শেষ হবার নয়,
কেননা জীবনের আরেক নাম সংগ্রাম ।
ডুয়ার্স - কবি বিজন পন্ডিত
মেঠো পথের পাহাড়িয়া বাঁশি
মাদলের তালে ঝর্ণার নুপুরের তান
ঝিঁঝিঁপোকারা বিজন অরণ্যে প্রহরী যমরাজ।
জমানো বারুদের মন খারাপ করা দুপুরে
নিজের সাথে একলা হতে
তোমাতে বারবার হারিয়ে যাওয়া...নিজেকে খুঁজে পাওয়া।
যেতে যেতে কাঁকড় ছেঁকে সুখ গুনি আজ।
কষ্টগুলো নীল খামেতে পাহাড় চূড়ায় বন্দী।
নাম না জানা পাখির উড়ান মনের মাঝেই হাজতবাস
খুলছে তালা মিলছে চাবি জিয়ন কাঠি আমার ডুয়ার্স।
টুকিটাকি না পাওয়ার ব্যাগ - কবি মৌসুমী ভৌমিক
প্রতিদিনের যত ছোট খাটো কষ্ট
যেগুলো সশব্দে কাঁদতে পারে না
নিজের ভেতরে গুমরে গুমরে মরে
সেগুলোকে আমি আমার একান্ত নিজস্ব
টুকিটাকি না পাওয়ার ব্যাগে ভরে ফেলি।
কষ্টগুলোর নিজেদের মধ্যের ঠেলাঠেলি
গলাগলি চুলোচুলি আমি স্পষ্ট অনুভব করি।
কখনও কখনও অভিমান করে
ব্যাগ থেকে বেরিয়ে পড়ে।
ক্ষিপ্র হস্তে আবার সেগুলোকে পুরে নিই
আমার সেই টুকিটাকি না পাওয়ার ব্যাগে।
সময়ের হাত ধরে ব্যাগের এখন স্ফীতোদর।
নতুন নতুন কষ্টগুলো পুরোনো কিছু কষ্টকে
পিষে মেরে সে জায়গাগুলো দখল করে বেশ আছে।
তাদের এই খুনোখুনি অবশ্য উপভোগ করি আমি।
আমার এই কষ্টের দেশের একমাত্র মালিক
আজ এই ব্যাগ নিয়ে বেশ সুখেই আছে।
ভাল থাকুক আমার টুকিটাকি না পাওয়ার ব্যাগ।
সম্পূর্ণা - কবি প্রবীর ভদ্র
তুমি ভীষন সঙ্কুচিত ছিলে
যেদিন তোমার গোপন লজ্জা
তোমাকে অধিকার করলো,
তোমার দেহ মনকে।
তুমি প্রস্ফুটিত হলে একটু একটু করে
প্রতি মূহুর্তে আলোড়িত হতে থাকলো
নব উন্মোচনের পুলকে,
তুমি হয়ে উঠলে সম্পূর্ণা।
মনের উৎসবের আঙিনায়
নতূন আঙ্গীকে তোমার আগমন,
তুমি সাজালে নিজেকে, তোমার
লজ্জাব্রীড়ানত ভঙ্গীমায় তুমি
হয়ে উঠলে অদ্বিতীয়া।
তুমি শিহরিত হতে থাকলে
তোমার ভাবনার উষ্ণ স্পর্শে,
সৃষ্টির নব নব দৃশ্য----
দৃশ্যমান হলো;
তোমার অন্তরে।
এখন তুমি পূর্ণ তুমি একান্তই
তোমার নিজের , যৌবনের
আগমণীর সুরের মূর্ছনায়
তুমি আত্মস্থ সমাহিত,
তাই তুমি সম্পূর্ণা তুমি অদ্বিতীয়া।।
Monday, November 6, 2017
লেখক সূচী
- একটি কবিতা - অমর নস্কর
- যুদ্ধ এবং - শর্মিষ্ঠা ঘোষ
- অনেকটা এগিয়ে - জ্যোতির্ময় রায়
- স্নেহ - সুমন পাটারী
- শর্ত - সঙ্গীতা রায়
- হঠাৎই... - অরিন্দম ভাদুড়ী
- এসো, কিন্নরসেনা - তনিমা হাজরা
- পুতুল খেলা - নিশীথভাস্কর পাল
- অক্ষর লিপি - দেবাশিস মুখোপাধ্যায়
- মৃত্যুশয্যা - দেবাশিস্ বন্দ্যোপাধ্যায়
- নিরালায় - মহাদেবাশা
- অবসেশন - সোনালি মণ্ডল আইচ
- দারুচিনি জ্বর - রুমা ঢ্যাং অধিকারী
- আমাদের আড্ডা - অর্ণব গড়াই
- একটি কবিতা - রাহুল গাঙ্গুলি
- একটি কবিতা - তুলি রায়
- বৃষ্টি লিরিক - সৌমাল্য
- আত্মদহন - কুমারেশ তেওয়ারী
- অজান্তে - সুখবিন্দর সরকার
- জঞ্জাল - মানসী বিশ্বাস
- মহানগরী - জ্যোতির্ময় মুখার্জি
- জীবন যৌগ - কাকলি মুখোপাধ্যায়
- কবিতার সত্য - দিব্যায়ন সরকার
- সেইসব মেয়েদের - বিশ্বজিৎ দাস
- হাওয়ার শব্দ - শ্যামল সরকার
- আলোছায়া - অর্পণ মাজি
- বাঁশের শরীরে অস্ত্র - কবি দীপকচন্দ্র বর্মন
- হাওয়া -মোরগ - আফজল আলি
- একটি কবিতা - শাল্যদানী
- পথ - মহুয়া
সম্পাদকীয় - সঙ্গীতা পাল
আমি সঙ্গীতা পাল এডিটর অফ মেঘ বৃষ্টি রোদ্দুর।আমাদের প্রথম যাত্রা শুরু হয় 2012 তে।প্রিনটেড পত্রিকা হিসেবে।এখন সময়ের দাবি রেখে শুরু হয়েছে ব্লগ ম্যাগাজিন যেখানে আমরা প্রত্যেক মাসে তিরিশ জনের লেখা whatsup group থেকে নিয়ে, প্রকাশিত করবো এই আমাদের সামান্য কথা। আমাদের উপদেষ্টা হিসেবে আমরা পেয়েছি রুপম রায় চৌধুরী, রাহুল গাঙ্গুলি, অপ'ণমাঝি, দেবব্রত, জোতির্ময় মুখার্জী, জোতির্ময় রায়, ঐন্দ্রিলা মোহান্তি, শৌভিক ঘোষ, সৌমাল্য, কাকলি মুখার্জি, স্বর্ভানুকে। এনাদের সাহায্য ছাড়া এই ব্লগ শুরু করতে আমরা পারতাম না। তাই এনাদের সকলেই মেঘ বৃষ্টি রোদ্দুর এর পক্ষ থেকে বিশেষ ধন্যবাদ, এবং কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি।
বাঁশের শরীরে অস্ত্র - দীপকচন্দ্র বর্মন
ট্রিগারে রেখেছ তর্জনী
এক--দুই --তিন--
জীবন্তে রেখেছ মৃত করে, মৃত্যুর পরে লাশ।
দুর্গতিনাশিনী পক্ষ, পবিত্র মহরম
একশো আটটি নীলপদ্মের উপাচারে রেখেছ রক্তবাটিকের ছাপ।
তবুও তোমারই পূজা এখানে বারমাস!
ট্রিগারে তর্জনী গর্জন আরও কতটা ভয়ঙ্কর হবে--
বাঁশের শরীর থেকে তুলে আনা অস্ত্র যদি দুহাতে ধরো,
এদের নলি-কাটা পীত রক্তে হাজারো মাছি চাক হয়ে বসে ড্যান ড্যান করবে।
একদিন ওরই এক ফোচে কত পশুর বীর্য বিনাশ ঘটেছে,
যৌবন-উত্তর বয়সের কাছে কান পাতলে এখনো শোনা যায়
সদ্যজাতকের নাড়ি-সম্পর্ক-ছেদন-ভিড়ু কান্না।
ট্রিগারে রেখেছ তর্জনী-- আর না আর না আর না
বাঁশের শরীর থেকে তুলে আনো অস্ত্র।
রক্তবাটিকের ছাপ আর না আর না
বাঁশের শরীর থেকে তুলে আনা অস্ত্রে
আবার লেখা হবে পশুদের কান্না পশুদের কান্না।
বাঁশের শরীরে রক্ত...
হাওয়া -মোরগ - আফজল আলি
সকাল থেকেই তোমরা ভাবছিলে আমি অন্ধকার নিয়ে কিছু বলি
তখন সূর্য উঠছিল
সরলরেখার উপরে মন
আস্তে আস্তে টুকরো হয়ে যাওয়া নিঃশেষ গুলো এখন দক্ষিণদিকে
তোমাদের ভালোবাসার জন্য অনেক মেঘ আমি শেয়ার করলাম
মাথায় সেই সীমিত অক্ষরগুলো যা এতকাল আমাকে ভাবনা শেখাতো
এখন বেদখল হয়েছে
কান্নাকে একটু টুইস্ট করে দেখলাম
সমস্ত দুঃখই আসলে হাওয়া-মোরগ
সমাধানের বাইরে আর নতুন করে কী বলব
যত ইচ্ছা গুন করে যাও আমায আমায়
মরমের পাশ দিয়ে হেঁটে হেঁটে চলে যাব
তখন আয়নাতে যেন মনখারাপ দেখো না
Subscribe to:
Posts (Atom)
সম্পাদকীয়
আমি সঙ্গীতা পাল এডিটর অফ মেঘ বৃষ্টি রোদ্দুর।আমাদের প্রথম যাত্রা শুরু হয় 2012 তে।প্রিনটেড পত্রিকা হিসেবে।এখন সময়ের দাবি রেখে শুরু হয়েছে...
-
এত পর্দা ঢালো কেন কেন এত পর্দা ঢালো চাঁদের কলঙ্ক ফুটে ওঠে আয়নায় পর্দা দিয়ে কাঁচ ঢাকো ঢাকো কালি দিয়ে ফুলের গন্ধ ভ্রমরের চোখে কি ছ...
-
ক্রমশ ভোর হয়ে আসে পাহাড় থেকে নেমে আসতে আসতে । দুপাশের জঙ্গল ভেদ করে বেরিয়ে আসে একটা মোটরবাইকের আলো । বিশাল বিশাল গাছ আর শুকনো পাত...
-
চাদরমোড়া ওয়েসিস গোধূলিস্রোতে জমকালো ধুলো = শূন্যমতির একান্ন বল ভূখণ্ড গড়াগড়ি । সেমিজকাটা শাদাবক ( পাঁজরহীন ) গ্রেম্যাটার চাটতে থা...































