আমার পূর্বপুরুষ ওপার বাংলার,রাজশাহীর,এপারেও বাড়ি ছিলো,রুক্মিণী কুন্জ | '৭১ এ ঠাকুর্দা পাট গুটিয়ে পাকাপাকিভাবে বাস করতে শুরু করেন হাওড়ায়,ওপারের সবকিছু বিক্রি করে |
ঈশ্বর গোবিন্দ ভাদুড়ী,আমরা ডাকতাম "জ্যেঠু" বলে,যিনি সদ্যপ্রয়াত,তাঁর ছেলেবেলা কেটেছে ওপারে | খাদ্যাভ্যাসে এক্কেবারে,যাকে বলে "মেছো" |
আমার মায়ের রান্নার হাতটি বরাবরই চমৎকার... তখন একান্নবর্তী পরিবার,জ্যেঠুর বড় প্রিয় ছিল মায়ের হাতের ভেটকি পাতুরি | মা কে তুই করে ডাকতেন,বয়সের বিস্তর ফারাকের জন্য,প্রায় অপত্যস্নেহে |
_
এখন,বলা যেতে পারে আমিই বাড়ির অভিভাবক,বাবা সযত্নে এই দায়িত্ব থেকে অবসর নিয়ে নাতনি,খেলা ইত্যাদিতে মগ্ন |
শরৎ মাছওয়ালার থেকে আজ ভেটকি মাছ কিনে মা-কে বললাম "পাতুরি বানাও তো !"
হাতে মাছের থলি,মা-র চোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়ছে জলের ধারা...
মনে পড়লো,জ্যেঠু বলতেন "ছোটোবউ,আজ ভেটকি পাতুরি রাঁধিস তো ! বড় ভালো লাগে"...

No comments:
Post a Comment