যেকোনো ঘরে ঢুকি একটা গোপন অসুখের গন্ধ টের পাই। দেয়াল আর পাঁজরের ঠুলিতে শৌখিন করে লেপে গেছে রাজমিস্ত্রি । আমি তাকে দোষ দিই না। তার কাজ ঘর বানানো। অসুখের জন্য বন্ধ কামরাগুলো দায়ী। বাইরে থেকে খোলা দেখালেও ভিতরে ভিতরে বন্ধ।
পাশের বাড়ি বলে কিছু হয় না। বাড়ি একটাই- আশ্রয়। পাশের বাড়ির লোক বলতে যা বোঝায় তারা আসলে ক্লোন করা জীব। এমনকি ওদের স্বপ্নগুলোও নকল। টুকলি বা ধার করে চলে।
এইসব বাড়িগুলো লাইসেন্স পায় কি করে জানি না। এগুলো অবিলম্বে ভাঙা উচিত।
রাস্তা চওড়া হওয়াটা খুব দরকার।
যত ঘর তত অসুখ। সবাই রুগী। রোগ এতটাই সংক্রামক যে সুস্থ বলতে কেউ নেই।
যে ডাক্তারের চিকিৎসা করার কথা সে নিজেই অসুস্থ।
রাস্তাটা চওড়া করতেই হবে। এমন একটা রাস্তা যেখানে পাশাপাশি হাঁটা যাবে - বলছি না যে সেখানে খানা খন্দ থাকবে না, রাস্তার স্বভাবেই তা হবে। হাঁটতে হাঁটতে লোকগুলো একে অপরকে দেখবে জানবে,
কার কোথায় ক্ষত, এগিয়ে এসে নরম স্পর্শে ক্ষতগুলো কুড়িয়ে নিয়ে বলবে
কোথায় ব্যথা, কই অসুখ!

No comments:
Post a Comment